বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ এর আয়োজনে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ নগরীর ৪ নং ডিআইটি এলাকায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ এর কার্যালয়ে এ দোয়া পড়ানো হয়।
সদর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি হাজী রাশেদ আহম্মেদ টিটু প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীরভাবে শোক বেদনা জানাই। আরাফাত রহমান কোকোকে আওয়ামীলীগেরর ফ্যাসিবাদী সরকার তার দোসর মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকার কোকো সাহেবের উপর যে নির্যাতণ চালিয়েছে, হত্যা করেছে সড়া বংলাদেশের মানুষ তার মৃত্যুতে জড়িতদের গ্রেফপ্তার জানান। আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সভাপতি আনোয়ারের নেতৃত্বে আমরা মহানগর বিএনপিকে এগিয়ে নিতে চাই।
সভাপতির বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন বলেন, কোকো স্মৃতি সংসদ এর উদ্যোগে আজকের এ দোয়া মাহফিল। আজকে থেকে আমরা ফ্যাসিষ্ট সরকার হাতে নির্যাতিত হয়েছে কোকো রহমান ১০ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা শপথ নিতে চাই তারেক রহমান এর ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করব। ফ্যাসিস্ট সরকার যাওয়ার পর ষড়যন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের সাথে আমার অনেক মামলা রয়েছে। তার পারও আমার পদ পদবি নিয়ে ষড়যন্ত চরছে। পদ-পদবী না দিলেও আমরা তারেক রহমানের নির্দেশ পালন করব।
বিএনপির ও আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ এর সভাপতি আনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি হাজী রাশেদ আহম্মেদ টিটু ও বিশেষ অতিথি মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সুজন মাহমুদ।
এছাড়াও অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর বেপারী, ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মো. জাকির হোসেন, মো.শহিদ, আক্তার হোসেন, মোশারফ হোসেন, মো.বিপ্লব, শাহ আলম, নাজির, মো.হাসান, মোকলেসুর রহমান, সজিব সহ স্থানীয় বিএনপির অঙ্গসংগঠন ও আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ নেতৃবৃন্দরা।
প্রসঙ্গত ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ৪৫ বছর বয়সে মারা যান তিনি। ২৮ জানুয়ারি তাকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। আরাফাত রহমান স্ত্রী ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন, ডিআইটি কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া মাদ্রাসা আরবি শিক্ষক সানজিদআল মামুন।